পরিনীতা সিরিয়ালে রায়ান আজ ভূল করে স্বীকার করলো পারুলকে সে ভালোবাসে

পরিনীতা সিরিয়ালের প্রথম অংশে আজ রায়ান তার দাদুকে বলছে এমন ছেলেকে তুমি প্রশ্রয় দাও কি করে? তখন তার দাদু হুংকার দিয়ে উঠে বলে ঐ ছেলে কেমন সেটা পরের হিসেব কিন্তু আমি তো জানতাম তুমি ভালো ছেলে। সেই ভেবেই পারুলের সাথে তোমার বিয়েটা দিয়েছিলাম। কিন্তু তুমি না পেরেছ ভালো স্বামী হতে না পেরেছ পারুলকে ভালবাসতে। স্বামীর প্রধান কাজ হল স্ত্রীকে ভালোবাসা স্ত্রীকে সুখে রাখা তুমি কি পেরেছ রায়ান সেটা করতে? অন্য মেয়ের পিছনে ছুটে বেরিয়েছো নিজের স্ত্রীর সাথে কম্পিটিশন করে তাকে হারানোর চেষ্টা করেছ, দাদু আরো বললেন কি ভেবেছ আমার কষ্ট হচ্ছে না আমার ঘরের লক্ষীকে অন্যের কাছে বিয়ে দিতে কিন্তু কি আর করার আছে। রায়ান তুমি পারুলের দায়িত্ব যখন নিতে পারো নি তখন তোমার কোন অধিকার নেই এসব সম্পর্কে কথা বলার। রিক ছেলেটা সবার সামনে বলেছে পারুলকে ভালোবাসে পারুলকে সে সুখে রাখবে।

পারুল দিদিভাই তবুও একজন ভালো স্বামী পাবে। তাছাড়া আমার ব্যবসার জন্য ১০ কোটি টাকার প্রয়োজন এখন কোন ব্যাংক দিতে রাজি হচ্ছে না কিন্তু রিকের মা আমাকে কথা দিয়েছে তারা আমাকে সাহায্য করবে। রায়ান তুমি তো পারুলকে ভালোবাসতে পারো নি তাহলে কি সমস্যা? বেসেছো কি ভালো তখন রায়ান ভুল করে মুখ ফসকে বলে ফেলে হে তো ভালোবাসি। রায়ানের কথা শুনে বসু পরিবারের সবাই খুশি হয়ে যায় , তারা ভেবে নেয়ন বুঝি স্বীকার করবে এবার সে পারুলকে ভালোবাসে। তখন বসু পরিবারের সবাই মিলে বলতে থাকে তুমি আরেকবার স্পষ্ট করে বল কি বললে? দাদু বলে রায়ান তুমি বলো তুমি কি ভালোবাসো পারুলকে তখন রায়ান অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে আবার বলে যে না ভালোবাসে না! তখন রায়ান আবার বলতে থাকে ভালোবাসার সাথে পরিবারের ব্যবসার কি সম্পর্ক? শুধু ব্যবসার জন্য পারুল কে দাঁড়িপাল্লায় কেন তুলছো কেন নিজের স্বার্থের জন্য ওকে ব্ল্যাকমেইল করছ তখন দাদু বলে কি আমি ব্ল্যাকমেল করছি? আমি কি একবারও পারুলকে জোর করেছি? পারুল না করে দিয়েছে সে এই বিয়ে করবে না এজন্য আমি ওকে কখনো জোর করিনি। তখন দাদু বলে তোমার মত উচ্ছন্নে যাওয়া ছেলেকে পারুলের সাথে বিয়ে দিয়ে সংসারী করতে চেয়েছিলাম, নেড়া গোয়াল এ গিয়ে তুমি আর পারুল যে ঝগড়া করতে তার জন্য এলাকায় কোন কাকচিল বসতে পারত না।

See also  Rahul & Rahi Beautiful Love Story – Today’s Trending Update

 

দাদু বলছে রিকের বাবা মা খুবই অপমান বোধ করেছেন তবুও তাদেরকে দাওয়াত দিয়ে এনে আমি হাতজোড় করে ক্ষমা চাইবো আর বলবো আমার সাহায্য লাগবে না সাহায্যের বিনিময়ে আপনারা যেটা চেয়েছেন সেটা আমি দিতে পারবো না। আমার এত দিনের ব্যবসা শেষ হয়ে যাক। হারিয়ে যাক বসু বাড়ির গৌরব। তবুও এখনো এই বাড়িতে আমার নাতনীর কথায় শেষ কথা। আমার নাতনির বিরুদ্ধে গিয়ে আশুতোষ বসু কিচ্ছু করবে না, এ বলে দাদু মন খারাপ করে বসে পড়লেন । দাদু চলে গেলে পারুলকে একা পেয়ে রায়ান বলে পারুল শোন দাদু পরিবারের সবাই মিলে তোকে ব্ল্যাকমেইল করতেছে তুই কোনভাবেই এই বিয়েতে রাজি হোস না। দোকান বাঁচালেই তো হলো তুই আর আমি মিলে টা বাঁচিয়ে নিব। তুই আমি একসাথে থাকলে কিছু একটা ব্যবস্থা করতে পারবো। রায়ান তখন পারুলকে বলতেছে তুই আমাকে ছুঁয়ে বল যে তুই রিককে বিয়ে করবি না। তখন পারুল বলে আচ্ছা রায়ান পিসে যে ইনভেস্টরের কথা বলছিলো তাদের রিকুয়েষ্ট করে দেখি কি হয়। তখন রায়ান বলে ঠিক আছে তুই কল কর। তখন পারুল ইনভেস্টরকে কল করলে সে সাহায্য করবেনা বলে না করে দেয়। ইনভেস্টর বলে ইনভেস্ট করলেই যে তোমরা কম্পানি দাড় করাতে পারবা তার কোন গ্যারান্টি নেই।

পাশ থেকে পিসে মশাই সব শুনে রায়ান পারুলের কাছে আসলো, রায়ান পারুল তাকে দেখে বল্ল যে পিসে আপনি তো করপুরেট জগতের মানুষ আপনি একটু আমাদের সাহায্য করেন। তখন পিসে রাজি হলো। মূলত পিসে ইনভেস্টরদের কল না দিয়ে নিজেদের বাড়ির লোকেদের কাছেই কল দিয়ে সাহায্য চাওয়ার নাটক করলেন। আর সে রায়ান পারুলকে দেখালো সব ইনভেস্টর না করে দিচ্ছে। আসলে দোকান ডুবে যাওয়ার খবরটা সবার কাছে পৌঁছে গেছে তাই কেউ টাকা দিতে চাচ্ছে না। হঠাৎ করে এই সিচুয়েশনে ১০ কুটি টাকা ইনভেস্ট তো সম্ভব না। তখন পারুল খুব হতাশ হয়ে পড়ে। পারুল সৃষ্টিকর্তার কাছে বলতে থাকে হে বাবা ভূবেনশ্বর দোকানটা বাঁচানোর জন্য তাহলে এই বিয়ে করা ছাড়া কি আর কোন উপায় নাই। এই বলে পারুল শেখান থেকে তার রুমে চলে যেতে থাকে তখন রায়ান পারুলের হাত ধরে বাধা দেয়, পারুল বলে তুই আমার পিছে আসবি না আমাকে একটু শান্তিতে থাকতে দে। পারুল রায় কে বলে দেখ আমার মাথা এমনিতেই ঠিক নেই তার ওপর আমার মনে কি চলে সেটা বুঝবার মত ক্ষমতা তোর নেই। পারুল রায়ানকে বলে তুই আমার চোখে সামনে থেকে চলে যা এ কথায় ই রায়ান সেখান থেকে চলে যায়।

See also  Rahul & Rahi Beautiful Love Story – Today’s Trending Update

 

তখন রায়ানের বোন চলে এসে পারুলকে বলে পারুল তোমার মনে কি চলে আমি সেটা বুঝতে পারছি। ভাই তোমাকে ভালো না বাসলেও তুমি তো ভাইকে ভালোবাসো। এসবের উত্তর বাবা ভুবনেশ্বর এর কাছেই পাবে। যে ধর্ম রক্ষা করা উচিত নাকি নিজের ভালোবাসা। দেখোনি ঠাকুরের মাথা থেকে ফুল পড়ে গেলে বুঝা যায় ঠাকুর কিছু ইঙ্গিত দিচ্ছে? কে বলতে পারেন বাবা ভুবনেশ্বর তোমাকে হয়তো কোন ইঙ্গিত দিবেন। যাও না ঠাকুরের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস কর উনার কাছে প্রার্থনা কর যে কি করবে তুমি?

তখন বাড়ুল যায় বাবা ভুবনেশ্বর এর কাছে প্রার্থনা করতে। পারুল সেখানে গিয়ে বলে যে তুমি বলে দাও আমি কি করবো এত বড় পরীক্ষায় ফেললে তুমি আমাকে। এই বসু বাড়ি এই স্বর্ণময়ী জুয়েলার্স সবকিছু তুমি আমার কাঁধে এনে ফেলে দিলে কেন? এ ভার নিতে আমার কোন সমস্যা নেই কিন্তু যে দাম দিতে হবে তা আমি কোন ভাবেই দিতে পারবো না। তুমি তো জানো আমি রায়ান কে কতটা ভালোবাসি। জীবন দিয়ে তাকে ভালোবাসি রায়ান ছাড়া অন্য কোন পুরুষের দিকে সেভাবে আমি তাকাতে পারবো না। অন্য কোন পুরুষকে বিয়ে করবো এটা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি, কিভাবে বিয়ে করবো বাবা ভুবনেশ্বর। এদিকে যে মানুষটা আমাকেই বাড়িতে বউ হিসেবে জায়গা দিয়েছে তার খারাপ সময়ে তার কথা অমান্য করবো আমি কি করবো বলে দাও বিয়েটাই কি একমাত্র পথ তখন পারুলের হাতে একটি গাঁদা ফুল পড়ে পারুল ভেবে নেই হইত ভুবনেশ্বর বিয়ে করতে বলছে!এই ছিল আজকের পর্বের সম্পূর্ণ আপডেট নতুন আপডেট পেতে সাথেই থাকো।

Leave a Comment